স্বাধীনতার আগে বাংলার সমবায় বনাম স্বাধীনতার পরের সমবায়
একই মাটিতে জন্ম, কিন্তু দুই ভিন্ন যুগের দুই ভিন্ন গল্প
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু সেদিন কি বাংলার সমবায়ও নতুন করে জন্ম নিয়েছিল?
উত্তরটা যদি এক কথায় দিতে হয়, তাহলে বলতে হবে, না।
কারণ ভারতের সমবায় আন্দোলনের প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত যাত্রা স্বাধীনতার বহু আগে শুরু হয়ে গিয়েছিল। ১৯০৪ সালের Co-operative Credit Societies Act এবং ১৯১২ সালের Co-operative Societies Act ভারতীয় সমবায়ের ভবিষ্যৎ কাঠামোর ভিত্তি তৈরি করেছিল। ১৯১২ সালের আইন আবার শুধু ঋণ সমিতির মধ্যে সমবায়কে সীমাবদ্ধ রাখেনি, non-credit societies এবং federation-এর পথও খুলে দিয়েছিল।
অর্থাৎ, আজ আমরা যে PACS, Cooperative Bank, Marketing Cooperative, Consumer Cooperative বা বিভিন্ন ধরনের সমবায়ী প্রতিষ্ঠানের কথা বলি, তার শিকড় স্বাধীনতার অনেক আগের ভারতেই ছড়িয়ে রয়েছে।
কিন্তু এখানেই ইতিহাসের আসল প্রশ্ন:
যে সমবায়ের জন্ম হয়েছিল ঋণ, কৃষক এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সংকট থেকে, স্বাধীনতার পরে সেই সমবায় কীভাবে হয়ে উঠল উন্নয়ন, কৃষিঋণ, সঞ্চয়, ব্যাংকিং এবং financial inclusion-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান?
প্রথম অধ্যায়: সমবায়ের জন্মের পেছনে আসলে কী ছিল?
সমবায়ের ইতিহাসকে শুধুমাত্র “মানুষ মিলে প্রতিষ্ঠান তৈরি করল” এই সরল গল্পে বোঝা যায় না। ভারতের ক্ষেত্রে এর পেছনে ছিল গ্রামীণ ঋণব্যবস্থার গভীর সংকট। কৃষক, ছোট উৎপাদক এবং গ্রামীণ মানুষ অনেক ক্ষেত্রেই প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বাইরে ছিলেন। ফলে মহাজনী ঋণ ও উচ্চ সুদের বোঝা ছিল একটি বড় বাস্তবতা।
এই পরিস্থিতির মধ্যে ১৯০৪ সালের Co-operative Credit Societies Act একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনে। NABARD-এর cooperative movement-এর historical timeline অনুযায়ী, ১৯০৪ সালের আইন credit cooperatives-এর জন্য প্রথম গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ভিত্তি তৈরি করে এবং cooperative development-এর জন্য Registrar-এর ব্যবস্থাও প্রতিষ্ঠা করে।
তবে তখনকার সমবায় আজকের সমবায়ের মতো বিস্তৃত ছিল না। ১৯০৪-এর কাঠামো মূলত credit-এর উপর কেন্দ্রীভূত ছিল।
তারপর আসে ১৯১২ সাল। এই বছর Co-operative Societies Act, 1912 সমবায়ের পরিধি আরও বাড়িয়ে দেয়। Credit-এর বাইরে weaving, artisan, marketing-এর মতো non-credit cooperative-এর সুযোগ তৈরি হয় এবং cooperative federation-এর ধারণাও জায়গা পায়। NABARD-এর historical review-তে ১৯১২ সালের এই পরিবর্তনকে cooperative movement-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ milestone হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
১৯১৫: আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আলোচিত মোড়
আজকের বহু সমবায় কর্মচারী ১৯০৪ ও ১৯১২ সালের কথা জানেন। কিন্তু ১৯১৫ সালের Maclagan Committee-এর সুপারিশ আরও interesting।
এই Committee একটি বিস্তৃত cooperative credit structure-এর ধারণাকে সামনে আনে। Village-level primary society, intermediary Central Cooperative Bank এবং apex-level Provincial Cooperative Bank-এর মতো একটি স্তরভিত্তিক কাঠামোর কথা তখনই উঠে আসে।
আজ আমরা যখন PACS → Central Cooperative Bank → State Cooperative Bank কাঠামোর কথা বলি, তখন তার ঐতিহাসিক শিকড় যে একশো বছরেরও বেশি পুরনো, এই তথ্যটি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর হতে পারে।
অর্থাৎ, সমবায়ের tiered credit structure কোনও সাম্প্রতিক administrative invention নয়। এর ধারণাগত ভিত্তি ঔপনিবেশিক ভারতের cooperative experiment-এর মধ্যেই তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু একটি বড় ভুল আমরা প্রায়ই করি
আমরা যখন বলি “স্বাধীনতার আগে পশ্চিমবঙ্গের সমবায়”, তখন ইতিহাসের দিক থেকে কথাটা পুরোপুরি সঠিক নয়।
কারণ ১৯৪৭ সালের আগে আজকের পশ্চিমবঙ্গ আলাদা রাজ্য হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিল না। তখন ছিল বৃহত্তর Bengal। ১৯৪৭-এর Partition-এর পরে Bengal ভাগ হয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ববঙ্গ তথা পরবর্তীকালে East Pakistan-এ বিভক্ত হয়।
তাই স্বাধীনতার আগের সমবায়ের ইতিহাস বলতে আমাদের মূলত অবিভক্ত বাংলার cooperative history-কে দেখতে হবে।
আর এখানেই গল্পটি আরও interesting হয়ে ওঠে।
১৯৪০: বাংলার সমবায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত মাইলফলক
১৯৪০ সালে আসে Bengal Co-operative Societies Act, 1940। এটি ছিল Bengal-এর cooperative legislation-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গের cooperative আইন এই ঐতিহাসিক আইনটির উত্তরাধিকার বহন করে।
এমনকি স্বাধীনতার পরও ১৯৪০ সালের আইনটি সঙ্গে সঙ্গে অদৃশ্য হয়ে যায়নি। ১৯৫০ ও ১৯৫৩ সালে এই আইনের amendment হয়। পরবর্তীকালে West Bengal Co-operative Societies Act, 1973 এবং 1983-এর মাধ্যমে আইনগত কাঠামো পরিবর্তিত হলেও আগের আইনগুলোর অধীনে তৈরি হওয়া society, registration, rights এবং obligations-এর continuity আইনেই স্বীকৃত হয়েছে।
বিশেষ করে West Bengal Co-operative Societies Act, 1983-এর repeal and saving provisions দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। সেখানে 1912 সালের Co-operative Societies Act, 1940 সালের Bengal Act এবং 1973 সালের West Bengal Act-এর অধীনে করা কাজ ও বিদ্যমান societies-কে নতুন আইনের অধীনে continuity দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অর্থাৎ, স্বাধীনতা শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটায়নি; কিন্তু cooperative institution-গুলোকে একদিনে শূন্য থেকে পুনর্গঠনও করেনি। পুরনো institutional memory এবং legal continuity-এর একটি বড় অংশ নতুন ভারতের মধ্যেই প্রবেশ করেছিল।
তাহলে স্বাধীনতার আগে সমবায়ের উদ্দেশ্য কী ছিল?
এখানে আমাদের একটু থামতে হবে।
স্বাধীনতার আগের cooperative movement-কে আজকের চোখ দিয়ে দেখলে ভুল হবে। তখন rural credit ছিল কেন্দ্রীয় বিষয়। কৃষক ও গ্রামীণ মানুষকে সংগঠিত করে সঞ্চয়, ঋণ এবং পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে একটি বিকল্প প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি করার চেষ্টা চলছিল।
অর্থাৎ, সেই সময়ের সমবায়ের একটি বড় প্রশ্ন ছিল:
“কৃষক কি শুধু মহাজনের কাছ থেকেই টাকা নেবে, নাকি নিজেরাই নিজেদের জন্য একটি credit institution তৈরি করতে পারবে?”
এই প্রশ্ন থেকেই cooperative credit-এর শক্তি তৈরি হয়।
তারপর এল ১৯৪৭
দেশ স্বাধীন হল। বাংলা ভাগ হল। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বদলে গেল। জমি, জনসংখ্যা, প্রশাসন, বাজার এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হল।
কিন্তু cooperative movement-এর সামনে তখন নতুন একটি প্রশ্ন:
সমবায় কি শুধু ঋণ দেওয়ার প্রতিষ্ঠান থাকবে, নাকি স্বাধীন ভারতের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের হাতিয়ার হবে?
স্বাধীনতার পর উত্তরটি ধীরে ধীরে দ্বিতীয়টির দিকে যায়।
সমবায়কে শুধু credit institution হিসেবে না দেখে rural development-এর বৃহত্তর কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতা বাড়তে থাকে। কৃষি, বিপণন, ভোক্তা পরিষেবা, housing, dairy, fisheries এবং বিভিন্ন উৎপাদনমূলক কার্যক্রমে cooperative model-এর বিস্তার ঘটে।
এখানেই স্বাধীনতার আগে ও পরের সমবায়ের সবচেয়ে বড় পার্থক্য
| বিষয় | স্বাধীনতার আগে | স্বাধীনতার পরে |
|---|---|---|
| মূল সমস্যা | গ্রামীণ ঋণ, মহাজনী নির্ভরতা, কৃষকের credit access | গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন, financial inclusion, savings ও institutional credit |
| মূল চরিত্র | Credit-centred cooperative movement | Multi-purpose development-oriented cooperative system |
| রাষ্ট্রের ভূমিকা | আইন তৈরি, Registrar system ও movement-এর institutional support | Policy, finance, regulation, development programmes ও institutional expansion |
| ব্যাংকিংয়ের অবস্থান | Cooperative credit-এর প্রাথমিক কাঠামো | Cooperative banking একটি regulated banking system-এর অংশ |
১৯৬৬: সেই বছর, যে বছর সমবায় ব্যাংকিংয়ের চরিত্র বদলে গেল
এবার আসি এমন একটি জায়গায়, যা আজকের cooperative bank employee-দের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
১ মার্চ ১৯৬৬।
এই তারিখটি cooperative banking-এর ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। RBI-এর official chronology অনুযায়ী, এই দিন থেকে cooperative banking system RBI-এর regulatory ambit-এর মধ্যে আসে।
Banking Regulation Act, 1949-এর banking provisions cooperative societies-এর ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য করা হয় ১৯৬৬ সালে। এর ফলে cooperative banks একটি বিশেষ ধরনের dual control কাঠামোর মধ্যে চলে আসে।
অর্থাৎ, একদিকে State/Central Government বা Registrar-এর administrative jurisdiction, অন্যদিকে RBI-এর banking regulation।
RBI-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী registration, management, recruitment, audit, amalgamation, liquidation-এর মতো administrative বিষয় State/Central authorities-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে, আর banking-related বিষয় RBI-এর regulatory framework-এর মধ্যে পড়ে।
এই কারণেই cooperative bank একটি সাধারণ commercial bank নয়।
তার পরিচয়ের মধ্যে একসঙ্গে রয়েছে cooperative law এবং banking regulation। এই দ্বৈত চরিত্রই cooperative banking-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ institutional বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি।
একটি আশ্চর্যজনক continuity
এখানে আবার ফিরে আসি ১৯০৪ সালে।
১৯০৪ সালে প্রশ্ন ছিল: কৃষকের credit কোথা থেকে আসবে?
১৯১২ সালে প্রশ্ন আরও বড় হল: মানুষ কীভাবে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজে cooperative organisation তৈরি করবে?
১৯৪৭-এর পরে প্রশ্ন হল: এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীন ভারতের development process-এ কী ভূমিকা নেবে?
১৯৬৬-এর পরে আরেকটি প্রশ্ন যুক্ত হল: যে cooperative bank মানুষের প্রতিষ্ঠান, সেটিকে banking system-এর prudential framework-এর মধ্যেও কীভাবে পরিচালনা করা হবে?
আর আজ, ২০২৬ সালে প্রশ্নটি আরও বদলে গেছে:
“ডিজিটাল ব্যাংকিং, UPI, CBS, financial inclusion এবং modern governance-এর যুগে cooperative-এর আসল identity কী?”
বাংলার সমবায় কি তার পুরনো উদ্দেশ্য ভুলে গেছে?
এখানে উত্তরটা সহজ নয়।
আজকের cooperative movement অনেক বেশি বিস্তৃত। West Bengal Cooperation Department-এর সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে বর্তমানে 30,811টি cooperative society রয়েছে, যার মধ্যে 5,807টি PACS এবং বিভিন্ন category-র 83টি cooperative bank রয়েছে। Department-এর তথ্য অনুযায়ী cooperative system প্রায় 90 লাখ সদস্য এবং প্রায় 3.9 কোটি মানুষের সঙ্গে যুক্ত।
এই সংখ্যা শুধু একটি statistical fact নয়। এটি দেখায় যে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরে cooperative movement এখনও বাংলার অর্থনীতি ও সমাজের একটি বড় institutional network।
কিন্তু তার সঙ্গে একটি নতুন challenge-ও এসেছে।
একদিকে massive computerisation, modern banking facilities, ATM, RTGS, NEFT, digital services এবং professional management-এর প্রয়োজন। অন্যদিকে cooperative-এর মূল দর্শন হলো member participation, democratic ownership এবং mutual benefit।
এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই আগামী দিনের বড় প্রশ্ন।
স্বাধীনতার আগে বনাম স্বাধীনতার পরে: আসল পার্থক্য কোথায়?
আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি কোনও আইন বা কোনও নির্দিষ্ট সাল নয়।
পার্থক্যটি হলো সমবায়ের mission-এর বিস্তার।
স্বাধীনতার আগে সমবায় মূলত একটি সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছিল:
ঋণ সংকট।
স্বাধীনতার পরে সমবায়কে আরও অনেক সমস্যার সমাধানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়:
কৃষি + ঋণ + সঞ্চয় + বিপণন + গ্রামীণ উন্নয়ন + financial inclusion + সামাজিক অর্থনীতি।
এই transformation-ই cooperative movement-এর আসল ইতিহাস।
আর এখানেই একটি প্রশ্ন, যা প্রত্যেক সমবায় কর্মচারীর নিজেকে করা উচিত
আজ আমরা অনেক সময় সমবায়কে দেখি:
- Audit-এর মাধ্যমে,
- Loan target-এর মাধ্যমে,
- Deposit-এর মাধ্যমে,
- NPA-এর মাধ্যমে,
- Recovery-এর মাধ্যমে,
- Regulatory compliance-এর মাধ্যমে,
- CBS এবং digital banking-এর মাধ্যমে।
কিন্তু ১৯০৪ সালের সেই প্রথম cooperative legislation-এর পেছনে যে প্রশ্নটি ছিল, সেটি ছিল মানুষের প্রশ্ন:
“একজন সাধারণ মানুষ কি একা দুর্বল, কিন্তু সংগঠিত হলে কি শক্তিশালী হতে পারে?”
সমবায়ের দর্শন আসলে এই জায়গাতেই।
১২০ বছরের পথ: 1904 → 1912 → 1947 → 1966 → 2026
1904 → Cooperative Credit Societies Act
1912 → Cooperative movement-এর বিস্তার এবং federation-এর পথ
1915 → Structured cooperative credit network-এর ধারণা
1940 → Bengal Co-operative Societies Act
1947 → স্বাধীনতা ও Bengal Partition
1950s–1960s → স্বাধীন ভারতের development-oriented cooperative expansion
1 March 1966 → Cooperative banking আসে RBI-এর regulatory ambit-এর মধ্যে
1973 / 1983 → West Bengal-এর cooperative legislation-এর নতুন পর্যায়
2006 → বর্তমান West Bengal Co-operative Societies Act-এর নতুন অধ্যায়
2026 → Digital, regulated এবং modernised cooperative system-এর নতুন চ্যালেঞ্জ
শেষ কথা: সমবায় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়
একশো কুড়ি বছরেরও বেশি সময়ের ইতিহাসের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়।
সমবায় কখনও স্থির ছিল না।
তার জন্ম হয়েছিল এক ধরনের অর্থনৈতিক সংকট থেকে। তারপর আইন তাকে সংগঠিত করেছে। প্রশাসন তাকে কাঠামো দিয়েছে। স্বাধীনতা তাকে নতুন উদ্দেশ্য দিয়েছে। ব্যাংকিং regulation তাকে একটি নতুন institutional identity দিয়েছে। আর প্রযুক্তি তাকে আবার নতুন পরীক্ষার সামনে দাঁড় করিয়েছে।
কিন্তু এত পরিবর্তনের পরেও একটি বিষয় বদলায়নি:
মানুষ একা যতটা দুর্বল, সংগঠিতভাবে তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
এই বিশ্বাস থেকেই সমবায়ের জন্ম।
আজকের প্রশ্ন তাই শুধু “সমবায় কতটা বড়?” নয়।
প্রশ্ন হওয়া উচিত:
“১২০ বছর আগে যে মানুষের জন্য সমবায়ের জন্ম হয়েছিল, আজকের সমবায় কি এখনও সেই মানুষের কাছেই আছে?”
এই প্রশ্নের উত্তরই হয়তো আগামী দিনের সমবায়ের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
তথ্য ও গবেষণার ভিত্তি
এই নিবন্ধের ঐতিহাসিক chronology ও আইনগত ধারাবাহিকতা তৈরির ক্ষেত্রে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎসকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়েছে Government of West Bengal Cooperation Department, Reserve Bank of India, NABARD এবং India Code-এর নথি।
- Government of West Bengal, Co-operation Department: Cooperative movement, present structure, Acts & Rules
- Reserve Bank of India: History and chronology of cooperative banking regulation
- NABARD: Historical development milestones of the cooperative movement in India
- The West Bengal Co-operative Societies Act, 1983 and related historical legislative provisions
নোট: “স্বাধীনতার আগে বাংলার সমবায়” বলতে এই নিবন্ধে মূলত অবিভক্ত Bengal-এর cooperative history বোঝানো হয়েছে। ১৯৪৭-এর পরে West Bengal-এর institutional evolution আলাদা ঐতিহাসিক পর্যায় হিসেবে আলোচনা করা হয়েছে।
